নাশকতা পরিকল্পনার অভিযোগ : চট্টগ্রামে জামায়াত-শিবিরের ৭ নেতাকর্মী গ্রেফতার, চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে জামায়াত-শিবিরের ৭ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। নাশকতার পরিকল্পনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে তাদের আটক করা হয়। তারা বিশেষ ক্ষমতা আইনে দায়ের করা একটি মামলার আসামী এবং এদের মধ্যে কয়েকজনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলাও রয়েছে।

বুধবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নগরীর পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল কবির বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মঙ্গলবার মধ্যরাতের পর নগরীর বিবিরহাট, শুলকবহর ও চান্দগাঁও এলাকায় অভিযান চালিয়ে নাশকতা পরিকল্পনার অভিযোগে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার সাতজন হলেন মিফতাহুল আলম (২৮), আব্দুল কাইয়ূম (৫৫), ইরফান ইউনুছ (২৮), মোহাম্মদ আলী (৪০), ইমরান আলী (৩৮), আবু বক্কর সিদ্দিক (৩২) এবং মো. দেলোয়ার (৩২)।পুলিশ জানিয়েছে, এর আগে তারা নাশকতার পরিকল্পনা নিয়ে সংগঠিত হয়ে ঝটিকা মিছিল বের করেছিল। মঙ্গলবার মিছিল করার পরে জামায়াতের নেতারা কেউ বাসায় ছিল না। গ্রেফতার মিফতাহুল চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রশিবিরের শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক এবং জামায়াত নিয়ন্ত্রিত প্রবাহ কোচিং সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক। আব্দুল কাইয়ূম নগর জামায়াতের বায়তুল মাল বিষয়ক সম্পাদক। ইরফান ইউনুছ নগর ছাত্রশিবিরের সাথী। মোহাম্মদ আলী নগর জামায়াতের সহ প্রচার সম্পাদক। ইমরান আলী, আবু বক্কর ও দেলোয়ার জামায়াতের সক্রিয় কর্মী।

ওসি জাহিদুল কবীর বলেন, ‘গ্রেফতার সাতজনসহ জামায়াত-শিবিরের একদল নেতাকর্মী সোমবার রাতে অজ্ঞাতস্থানে বৈঠক করে ঝটিকা মিছিল করে নাশকতার পরিকল্পনা করে। এরপর তারা হাটহাজারী উত্তর জনশক্তি- নামে একটি মেসেঞ্জার গ্রুপে যোগাযোগের মাধ্যমে মঙ্গলবার সকালে চট্টগ্রাম নগরীর ষোলশহর রেলস্টেশন এলাকায় জড়ো হয়। সেখান থেকে তারা মিছিল বের করে। জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ ঢাকায় দলের নেতাদের গ্রেফতারের প্রতিবাদে তারা মিছিল বের করেছিল। তবে পুলিশ দ্রুত মুভ করার কারণে তারা নাশকতার সুযোগ পায়নি।’এ ঘটনার পর পাঁচলাইশ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জসিম উদ্দিন বাদি হয়ে জামায়াত-শিবিরের ১৬ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা ৭০-৮০ জনের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের করেন। গ্রেফতার সাতজন ওই মামলার এজাহারভুক্ত আসামি বলে ওসি জাহিদুল কবীর জানিয়েছেন।
