জয়পুরহাটে দুর্গাপূজা উদযাপনের প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে, জেলায় দুর্গোৎসব উদযাপনের প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে। সনাতন হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্র্গোৎসব উদযাপনে দুর্গা মন্ডপ গুলোকে সাজানো হয়েছে মনোরম সাজে। জেলায় এবার ৩০১ টি মন্ডপে দুর্গাপূজার আয়োজন করা হয়েছে। যা গত বছরের চেয়ে ১০ টি বেশি। দুগোৎসব সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্র্ণ পরিবেশে উদযাপনের জন্য সরকারি ভাবে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ১ শ ৫০ দশমিক ৫ মেট্রিক টন চাল।
আজ সোমবার মহাষষ্টী পূজা আয়োজনের মধ্য দিয়ে মন্ডপে মন্ডপে আসন গ্রহণ করবেন দেবীদুর্গা ।

জয়পুরহাটে দুর্গাপূজা উদযাপনের প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে
দুর্গাপূজা প্রতিটি মন্ডপে তিন স্তরের নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলার জন্য পুলিশ, আনসার, সাদা পোশাকে গোয়েন্দা পুলিশের পাশাপাশি পুলিশ ও র্যাবের টহল রাখা হয়েছে এবার। এ ছাড়াও শান্তিপূর্র্ণ পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপনের জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালতও সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছে।
দুর্গাপূজা সফল করতে পুলিশের একটি মনিটরিং টিমও গঠন করা হয়েছে। জেলা দুর্গাপূজা উদযাপন পরিষদের সদস্য ছাড়াও উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সদস্যরা প্রতিমা তৈরি মনিটরিং ও পাহারার ব্যবস্থা করেছেন। পূজা মন্ডপ গুলোতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও সাবান পানি রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানান, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি এ্যাডঃ হৃষিকেশ সরকার। বর্তমানে জেলায় দুূর্গোৎসবকে সামনে রেখে জেলার সনাতন হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে এখন চলছে সাজ সাজ রব, কাপড়ের দোকান গুলোতে উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

জেলা প্রশাসক মোঃ শরীফুল ইসলাম বলেন, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দুর্গোৎসব পালনের জন্য জেলায় ১শ ৫০ দশমিক ৫ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে। এবার ভাদসা ইউনিয়নের পালি মধ্যপাড়া গ্রামে ব্যাতিক্রমী ডিজাইনে দুর্গাপূজা মন্ডপকে সাজানো হয়েছে। সম্পূর্ণ পানির উপর অস্থায়ীভাবে নির্মাণ করা মন্ডপে হবে দুূর্গাপুজা। ভক্তদের যাতায়াতের জন্য সেখানে বাঁশ দিয়ে সিঁড়ি তৈরি করা হয়েছে বলে জানান, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম মেম্বার ও জেলা সভাপতি এ্যাডভোকেট নৃপেন্দ্রনাথ মন্ডল পিপি।

জেলা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ সূত্রে জানা গেছে জেলায় এবার ৩০১টি মন্ডপে দুূর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। যা গত বছরের তুলনায় ১০টি বেশি। এর মধ্যে রয়েছে জয়পুরহাট সদরে ১১৫টি, পাঁচবিবি উপজেলায় ৭৩টি, ক্ষেতলাল উপজেলায় ৪৩টি, আক্কেলপুর উপজেলায় ৩৮টি ও কালাই উপজেলায় ৩২টি।