স্বাস্থ্যবিধি মেনে সিলেটের প্রতিটি মসজিদে মসজিদে পবিত্র ঈদুল আযহার নামায জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে আদায় করেছেন মুসল্লিরা।বুধবার মুসলিম উম্মাহর দ্বিতীয় বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহা সিলেটসহ সারা বাংলাদেশে পালিত হয়। সকালে সিলেটের কিছু কিছু স্থানে মৌসুমি বৃষ্টি বাদল থাকায় মসজিদ গুলোতে ঈদের জামাত আদায়ে মুসল্লিদের কিছুটা অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয়।

সিলেট মহানগর ও জেলার বিভিন্ন উপজেলার প্রতিটি পাড়া মহল্লায় ভিন্ন ভিন্ন সময়ে পুর্বে ঘোষিত সময়মত ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রতিটি মসজিদে মুসল্লিরা জামাতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন।
নামায শেষে মুসল্লিরা বর্তমান মহামারি করোনাভাইরাস থেকে বাংলাদেশ তথা মানব জাতিকে মুক্তি দিতে এবং বাংলাদেশের অব্যাহত সুখ ও শান্তি কামনা করে মহান আল্লাহর কাছে কান্নাজড়িত কন্ঠে দুহাত তোলে বিশেষ প্রার্থনা করেন। করোনা পরিস্থিতির অবনতি রেধে সরকারী নির্দেশনানুযায়ি এবারও খোলা ময়দানে বা কোন ঈদগাহে ঈদের জামাত-অনুষ্ঠিত হয়নি। এদিন সিলেটে সবচেয়ে বড় জামাত-অনুষ্ঠিত হয় হযরত শাহজালাল (রহ.) দরগাহ মাজার মসজিদে সকাল সাড়ে ৮টায়।

এছাড়া নগরীর বন্দরবাজারস্থ ঐতিহ্যবাহী কুদরত উল্লাহ জামে মসজিদ প্রতি আধঘণ্টা পর পর পবিত্র ঈদুল আজহার ৩টি ঈদ জামাত-অনুষ্ঠিত হয়। এরমধ্যে সকাল ৭টায় প্রথম, ৮টায় দ্বিতীয় ও ৯টায় তৃতীয় জামাত-অনুষ্ঠিত হয়। বন্দরবাজারস্থ কালেক্টরেট জামে মসজিদেও ৩টি জামাত-অনুষ্ঠিত হয়। এরমধ্যে সকাল ৮টায় প্রথম, ৯টায় দ্বিতীয় ও ১০টায় তৃতীয় জামাত-অনুষ্ঠিত হয়েছে। বন্দরবাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে ও লামাপাড়া জামে মসজিদে সকাল ৮টায় একটি করে ঈদ জামাত-অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এছাড়া হজরত শাহপরান (রহ.) মাজার মসজিদ, হজরত বোরহান উদ্দিন মাজার মসজিদ, কাজীরবাজার জামেয়া ইসলামিয়া মাদরাসা মসজিদসহ সিলেট নগরী ও নগরীর বাহিরে বিভিন্ন উপজেলার বিভিন্ন মসজিদে সকাল ৭টা, ৮টা ও ৯টায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। ঈদের জামাত শেষে করোনার জন্য মসজিদ বা এর আঙ্গিনার এবার একে অন্যের সাথে কোলাকুলি করা থেকেও অনেককেই বিরত থাকতে দেখা যায়। পরে সামর্থ্যবানরা মহান আল্লাহর নির্দেশ পালন করতে তাদের সাধ্যানুযায়ী নিজ নিজ বাসা বাড়িতে কোরবানি আদায় করেন।
Comments are closed.